WBJEE ডিসেন্ট্রালাইজড কাউন্সেলিং ২০২৬: ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফার্মাসিতে ফাঁকা আসনে ভর্তির সম্পূর্ণ নির্দেশিকা

WBJEE Decentralized Counselling 2026: রাজ্য জুড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফার্মাসির ফাঁকা আসনে শুরু অনলাইন কাউন্সেলিং, জানুন খুঁটিনাটি নিয়মাবলি

পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট (UG) ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি, আর্কিটেকচার এবং ফার্মাসি কোর্সে ভর্তির পর অবশিষ্ট শূন্য আসন পূরণের লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ যৌথ প্রবেশিকা পরীক্ষা পর্ষদ (WBJEEB)। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অনুমোদনের ভিত্তিতে বোর্ড ‘কমন অনলাইন ডিসেন্ট্রালাইজড কাউন্সেলিং ২০২৬’ (Common Online Decentralized Counselling-2026)-এর বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে।
পূর্ববর্তী তিন দফার কেন্দ্রীয় ই-কাউন্সেলিং শেষ হওয়ার পর সরকারি কলেজ, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান, রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং অনুমোদিত বেসরকারি বা সেলফ-ফাইন্যান্সিং কলেজে যে সমস্ত আসন ফাঁকা রয়েছে, সেগুলি এবার সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, মেধা-ভিত্তিক এবং একক অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

এক নজরে অনলাইন ডিসেন্ট্রালাইজড কাউন্সেলিং ২০২৬

গুরুত্বপূর্ণ বিবরণসরকারি নির্দেশিকা ও তথ্য PDF
পরিচালনাকারী সংস্থা
পশ্চিমবঙ্গ যৌথ প্রবেশিকা পরীক্ষা পর্ষদ (WBJEEB)
শিক্ষাবর্ষ
২০২৬–২০২৭
অন্তর্ভুক্ত কোর্স
বি.টেক/বি.ই, বি.ফার্ম, আর্কিটেকচার
কাউন্সেলিং মোড
সম্পূর্ণ অনলাইন (সেন্ট্রালাইজড ডিসেন্ট্রালাইজড প্ল্যাটফর্ম)
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
রেজিস্ট্রেশন ফি
২৫০ টাকা (অফেরতযোগ্য)
সিট অ্যাকসেপ্টেন্স ফি
২,০০০ টাকা (অ্যাডজাস্টেবল/শর্তসাপেক্ষে ফেরতযোগ্য)

WBJEE Decentralized Counselling 2026: এই কাউন্সেলিংয়ের মূল উদ্দেশ্য

উচ্চশিক্ষা দপ্তরের ডিরেক্টরেট অফ টেকনিক্যাল এডুকেশনের (DTE) অনুমোদনক্রমে শুরু হওয়া এই একক ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্যগুলি হলো:
  • রাজ্যের সমস্ত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবশিষ্ট ফাঁকা আসনের জন্য একক জানলা বা ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ অনলাইন ব্যবস্থা চালু করা।
  • সেন্ট্রালাইজড কাউন্সেলিংয়ে সুযোগ না পাওয়া পরীক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে পুনরায় স্বচ্ছ ভর্তির সুযোগ দেওয়া।
  • অনুমোদিত ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিক (10+2) স্তরের নম্বরের ভিত্তিতে নতুন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া।
  • একই শিক্ষার্থীর একাধিক কলেজে আসন আটকে রাখা (Seat Blocking) বা আসন পরিবর্তন জনিত বিশৃঙ্খলা বন্ধ করা।
  • রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে শূন্য আসন ও ভর্তির গতিপ্রকৃতির উপর নজরদারি চালানো।

WBJEE Decentralized Counselling 2026

কারা আবেদন করতে পারবেন এবং কারা অযোগ্য?

১. আবেদনের যোগ্য প্রার্থীরা:

যে সমস্ত পরীক্ষার্থীর কাছে বৈধ WBJEE-2026 মেরিট র‍্যাঙ্ক রয়েছে।
যাঁদের বৈধ JEE (Main)-2026 র‍্যাঙ্ক রয়েছে।
বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের ($10+2$) পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে নির্ধারিত মেধাতালিকাভুক্ত প্রার্থীরা।

২. যারা আবেদনের যোগ্য নন

যে সমস্ত প্রার্থী ইতিপূর্বে WBJEE-2026 সেন্ট্রালাইজড ই-কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে আসন গ্রহণ করে যে কোনও প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন, তাঁরা এই ডিসেন্ট্রালাইজড কাউন্সেলিংয়ে অংশ নিতে পারবেন না। আসন বণ্টনে স্বচ্ছতা রক্ষা এবং নতুন প্রার্থীদের সুযোগ দেওয়ার স্বার্থেই এই নিয়ম জারি করা হয়েছে।

প্রার্থীদের ৫টি ক্যাটাগরি বিভাজন

পোর্টাল স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রার্থীদের তথ্য অনুযায়ী নিচের ৫টি শ্রেণিতে বিন্যস্ত করবে:
ক্যাটাগরি-১: পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা (WB Domicile) এবং WBJEE র‍্যাঙ্কধারী প্রার্থী, যাঁরা সরকারি ও বেসরকারি কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের সংরক্ষিত আসনের জন্য যোগ্য।
ক্যাটাগরি-২: পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা এবং WBJEE র‍্যাঙ্কধারী প্রার্থী, যাঁরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং/ফার্মাসি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আসনের জন্য যোগ্য।
ক্যাটাগরি-৩: ভিনরাজ্যের (Non-Domicile) WBJEE র‍্যাঙ্কধারী প্রার্থী, যাঁরা অনুমোদিত রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিবেচিত হবেন।
ক্যাটাগরি-৪: বৈধ JEE (Main) র‍্যাঙ্কধারী প্রার্থী, যাঁরা JEE (Main) কোটার আসনের জন্য যোগ্য।

ক্যাটাগরি-৫: AICTE-এর গাইডলাইন মেনে উচ্চমাধ্যমিকে (10+2) নির্দিষ্ট নম্বর পাওয়া প্রার্থী, যাঁরা বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফার্মাসি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবেন।

মেধা নির্ধারণের অগ্রাধিকার ক্রম (Merit Principles)

প্রতিটি ক্যাটাগরি ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পৃথক পৃথক মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হবে এবং আসন খালি থাকা সাপেক্ষে বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে।

রেজিস্ট্রেশন ও চয়েস ফিলিংয়ের বিশেষ নিয়মাবলি

১. এককালীন রেজিস্ট্রেশন ফি: প্রত্যেক প্রার্থীকে ২৫০ টাকা অফেরতযোগ্য রেজিস্ট্রেশন ফি প্রদান করতে হবে।
২. নতুন রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ: প্রতিটি নতুন ফেজে (Phase) নতুন প্রার্থীদের জন্য ফ্রেশ রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ থাকবে। পূর্বে নথিভুক্ত প্রার্থীদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করতে হবে না।
৩. চয়েসের কোনো ক্রম নেই (Unordered Set): প্রার্থীদের পছন্দের তালিকায় কোনো অগ্রাধিকার ক্রম (১, ২, ৩ নম্বর) থাকবে না। প্রার্থী যে যে কলেজ ও কোর্সের জন্য যোগ্য, সেগুলি তালিকায় যোগ করতে পারবেন।
৪. চয়েস লকিং: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের চয়েস লক করতে হবে। যদি কোনো প্রার্থী নিজে চয়েস লক করতে ব্যর্থ হন, তবে সময়সীমা শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত শেষ চয়েসগুলি লক হয়ে যাবে।

একাধিক সিট বরাদ্দ ও চূড়ান্ত আসন গ্রহণ পদ্ধতি

এই অনলাইন প্রক্রিয়ায় একজন প্রার্থী তাঁর মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে একাধিক ‘কলেজ-কোর্স’ কম্বিনেশনে সিট পাওয়ার যোগ্য (Eligible Admission Option – EAO) হতে পারেন। তবে প্রার্থী কেবল একটি মাত্র সিট চূড়ান্তভাবে বেছে নিয়ে লক করতে পারবেন।
নির্বাচিত আসনে ভর্তির জন্য প্রার্থীকে ২,০০০ টাকা ‘সিট অ্যাকসেপ্টেন্স ফি’ অনলাইনে জমা দিতে হবে।
একটি আসন নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীর বাকি সমস্ত অপশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং সেই আসনগুলি পুনরায় সাধারণ শূন্য আসনের তালিকায় ফিরে যাবে।
ফি জমা দেওয়ার পর পোর্টাল থেকে ‘Provisional Admission Receipt’ ডাউনলোড করা যাবে।

কাউন্সেলিং থেকে বাদ পড়ার নিয়মাবলি (Exit Rules)

পর্ষদের নির্দেশিকা অনুযায়ী নিচের ক্ষেত্রগুলিতে প্রার্থীরা কাউন্সেলিং থেকে বাতিল বা বরখাস্ত হবেন:
ভর্তি সম্পন্ন: কোনো প্রার্থী সিট পেয়ে ভর্তি হয়ে গেলে পরবর্তী ফেজে অংশ নিতে পারবেন না।
প্রত্যাহার (Withdrawal): কোনো প্রার্থী স্বেচ্ছায় নিজের নাম প্রত্যাহার করলে তিনি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়বেন (সিট অ্যাকসেপ্টেন্স ফি ফেরতযোগ্য)।
কাগজপত্র যাচাইয়ে অযোগ্যতা: ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশনে ন্যূনতম যোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হলে প্রার্থী বাদ পড়বেন।
সমস্ত চয়েস বরাদ্দের পর নিষ্ক্রিয়তা: প্রার্থীর লক করা সমস্ত পছন্দের কলেজ বরাদ্দ হওয়ার পরেও যদি তিনি কোনোটি নিশ্চিত না করেন, তবে তিনি পুরো প্রক্রিয়া থেকেই বহিষ্কৃত হবেন।
ফি দিয়ে যাচাইয়ে অনুপস্থিতি: সিট বুকিং ফি দেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ে কলেজে উপস্থিত হয়ে ভেরিফিকেশন না করালে কাউন্সেলিং থেকে বাদ দেওয়া হবে।
টানা দুই পর্বে নিষ্ক্রিয়তা: আংশিক সিট পাওয়ার পর পরপর দুটি পর্বে কোনো পদক্ষেপ না নিলে প্রার্থী অবশিষ্ট কাউন্সেলিংয়ে অংশগ্রহণের অধিকার হারাবেন।

ফিজিক্যাল ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা

সিট নিশ্চিত করার পর প্রার্থীকে সশরীরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সমস্ত মূল নথিপত্র যাচাই করাতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে সমস্ত দলিলের স্ব-প্রত্যয়িত (Self-attested) ফটোকপি।
নথিপত্র যাচাইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকা:
├── ১. বয়স সংক্রান্ত প্রমাণপত্র (মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড / জন্ম সার্টিফিকেট)
├── ২. শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র (দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির মার্কশিট)
├── ৩. ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য)
├── ৪. কাস্ট সার্টিফিকেট (SC/ST/OBC/EWS প্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য প্রমাণপত্র)
├── ৫. ওবিসি নন-ক্রিমি লেয়ার (NCL) সার্টিফিকেট (সদ্য নবীকৃত)
├── ৬. বিশেষ সক্ষমতার প্রমাণপত্র (PwD প্রার্থীদের জন্য)
├── ৭. ওভা়রসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া (OCI) সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
└── ৮. পোর্টাল থেকে সংগৃহীত Provisional Admission Receipt ও অলটমেন্ট লেটার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ভেরিফিকেশনের সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই প্রার্থীর জন্মতারিখ বা পরীক্ষার নম্বর এডিট করতে পারবে না। তথ্যে অসংগতি পাওয়া গেলে সিট বাতিল হতে পারে।

সংরক্ষণ ও ওবিসি (OBC) সংক্রান্ত বিশেষ নিয়মাবলি

রাজ্য সরকারের বিদ্যমান নির্দেশিকা মেনেই সংরক্ষিত শ্রেণির আসন বণ্টন করা হবে। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের গেজেট নোটিফিকেশন অনুযায়ী, ওবিসি প্রার্থীদের অবশ্যই বৈধ ‘নন-ক্রিমি লেয়ার’ (NCL) সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। অন্যথায় তাঁদের সংরক্ষিত আসনের দাবি বাতিল হয়ে সাধারণ (General) প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।
WBJEE Decentralized Counselling 2026

স্কলারশিপ ও হেল্পডেস্ক পরিষেবা

স্কলারশিপ: এই ডিসেন্ট্রালাইজড প্রক্রিয়ায় ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীরা স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম-মিনস স্কলারশিপ (SVMCM), হাফ-ফ্রি-শিপ/ফুল-ফ্রি-শিপ (WBFS) এবং অন্যান্য সরকারি বৃত্তির জন্য সরকারি নিয়মানুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।
হেল্পডেস্ক: শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে পর্ষদ এবং সংশ্লিষ্ট কলেজগুলিতে একটি বিশেষ হেল্পডেস্ক, সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন নম্বর এবং গ্রিভান্স পোর্টাল চালু থাকবে।
বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কাউন্সেলিং সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য কেবল সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকেই ব্যক্তিগতভাবে জানানো সম্ভব। কোনো তৃতীয় ব্যক্তির তথ্য প্রকাশ করা হবে না। এই সম্পূর্ণ কাউন্সেলিং প্রক্রিয়াটি মহামান্য কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) আইনি এখতিয়ারভুক্ত থাকবে।
সমস্ত পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্তি এড়াতে শুধুমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (wbjeeb.nic.in / wbjeeb.in) লক্ষ্য রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জানুন আরও চাকরির খবর

ℹ️ তথ্য যাচাই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

WBBulletin প্রকাশিত প্রতিটি সংবাদ যথাসম্ভব নির্ভুল, নির্ভরযোগ্য এবং সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়।

তবে সরকারি চাকরি, শিক্ষা, পরীক্ষা, প্রকল্প, নিয়োগ, ফলাফল, ভর্তির বিজ্ঞপ্তি বা অন্যান্য সরকারি তথ্য সময়ে সময়ে সংশোধিত অথবা পরিবর্তিত হতে পারে।

তাই আবেদন, নিবন্ধন বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অথবা সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং মূল বিজ্ঞপ্তি অবশ্যই যাচাই করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হচ্ছে।

কোনো তথ্যগত ভুল বা অসঙ্গতি চোখে পড়লে অনুগ্রহ করে আমাদের Contact Us পেজের মাধ্যমে জানান।

One comment

  1. […] ১. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্টের এই পদটি কি স্থায়ী সরকারি চাকরি?না, এই নিয়োগটি সম্পূর্ণভাবে ডেপুটেশনের (Deputation) ভিত্তিতে ৩ বছরের মেয়াদের জন্য করা হচ্ছে, যা সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।২. সরাসরি কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী কি আবেদন করতে পারবেন?না, শুধুমাত্র প্রধান বন্দর কর্তৃপক্ষ, কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকার, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা (PSU) এবং স্বশাসিত সরকারি সংস্থার নিয়মিত আধিকারিকরাই আবেদন করার যোগ্য।৩. আবেদনপত্র কোথা থেকে সংগ্রহ করা যাবে?শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্ট কলকাতার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট http://www.smportkolkata.shipping.gov.in-এ গিয়ে সার্কুলারের সাথে থাকা Annexure-3 ফর্মটি ডাউনলোড করা যাবে।৪. আবেদনের বয়স ও অভিজ্ঞতার যোগ্যতার শেষ তারিখ কোনটি?আবেদনের শেষ তারিখ অর্থাৎ ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী সমস্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার মাপকাঠি নির্ধারিত হবে।Official Notification Click Hereআরও অনান্য চাকরির খবর জানতে দেখুন এখানে […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *